বিষয়: শব্দ (Sound)

সহজ পাঠ: ০৬

১. শব্দের তিনটি চরিত্র (Three Characters of Sound)

ভাবো, শব্দেরও মানুষের মতো নিজস্ব চরিত্র আছে। এই তিনটি চরিত্র দিয়েই আমরা এক শব্দকে অন্য শব্দ থেকে আলাদা করি।

ক) প্রাবল্য বা তীব্রতা (Intensity/Loudness):

খ) তীক্ষ্ণতা (Pitch):

গ) গুণ বা জাতি (Quality/Timbre):

২. আমাদের কান: এক অসাধারণ যন্ত্র (The Human Ear)

আমাদের কান কীভাবে শব্দ শোনে, সেটা একটা দারুণ গল্পের মতো!

  1. প্রথম ধাপ (বাইরের কান): কানের বাইরের অংশটা (Pinna) একটা ফানেলের মতো কাজ করে। এটা চারপাশ থেকে শব্দ ধরে একটা সরু রাস্তা (Auditory Canal) দিয়ে ভেতরে পাঠায়।
  2. দ্বিতীয় ধাপ (মাঝখানের কান): রাস্তার শেষে একটা পর্দার মতো জিনিস থাকে (Eardrum)। শব্দ এসে ধাক্কা মারলে পর্দাটা কাঁপতে শুরু করে। এই কাঁপুনিটাকে আরও বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য এর সাথে তিনটি ছোট্ট হাড় (Malleus, Incus, Stapes) লাগানো থাকে। এরা লিভারের মতো কাজ করে কাঁপুনিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
  3. তৃতীয় ধাপ (ভেতরের কান): এই শক্তিশালী কাঁপুনিটা এবার ককলিয়া (Cochlea) নামে একটা শামুকের মতো দেখতে অংশে পৌঁছায়। ককলিয়ার ভেতরে থাকা তরল আর স্নায়ু এই কাঁপুনিকে ইলেকট্রিক সিগন্যালে পরিণত করে।
  4. শেষ ধাপ (মস্তিষ্ক): এই ইলেকট্রিক সিগন্যাল একটা তারের (Auditory Nerve) মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্কে যায়, আর তখনই আমরা বুঝতে পারি যে আমরা একটা শব্দ শুনলাম!

৩. শব্দ দূষণ: এক নীরব ঘাতক 😠

৪. কিছু মজার "কেন" আর তার সহজ উত্তর

প্রশ্ন: পুরুষদের গলা মোটা আর মহিলা বা শিশুদের গলা চিকন হয় কেন?

প্রশ্ন: বর্ষাকালে দূরের শব্দ কেন কম শোনা যায়?

প্রশ্ন: বাজ পড়ার সময় আগে আলো দেখা যায়, পরে শব্দ শোনা যায় কেন?

প্রশ্ন: চাঁদে বা সূর্যে বিশাল বিস্ফোরণ হলেও আমরা তার শব্দ শুনতে পাই না কেন?


THANK YOU

🏠 হোম পেজ